তুমি কবে আমার হবে পর্ব-১৭+১৮

0
64

#তুমি_কবে_আমার_হবে
#পর্ব_১৭
লেখিকা #sabihatul_sabha

২সেকেন্ড Only ২ সেকেন্ড যদি লেইট হতাম না আমি,তাহলে এতোক্ষনে বলে আবার নূর কে জরিয়ে ধরলো।
নূর অবাক হয়ে এতোক্ষন রুদ্রের দিকে তাকিয়ে ছিলো।আর এখন তো মনে হচ্ছে শ্বাস নিতেও যেনো কষ্ট হচ্ছে। শ্বাস যেনো আটকে আসছে।হার্টবিট যেনো বেরে গেছে। সব কিছু কেমন যেনো এলোমেলো লাগছে।হঠাৎ আমার খেয়াল হলো রুদ্র এখনো আমাকে জরিয়ে ধরে আছে। এবার যেনো লজ্জা লাগতে শুরু করলো।রুদ্র হয়তো বুঝতে পারলো তাই ছেড়ে দিলো।

আসেপাশে সবাই কেমন করে যেনো তাকিয়ে আছে।মেঘা, সাফা খুব ভয় পেয়ে গেছে। তাই চুপ করে এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছে।

রুদ্র আবার রেগে কিছু বলতে যাবে তখনি আমি ঘার থেকে হেডফোন নিয়ে সামনে দেখালাম।

স্যার এবার শান্ত চোখে আমার দিকে তাকালো,’ভয় পেয়েছো?’

আমি নিচের দিকে তাকিয়ে বললাম,’না! যদিও একটু ভয় পেয়েছি তাও বললাম না।’

রুদ্র :আজ আর ক্লাস করা লাগবে না। বাসায় চলে যাও।

~আমি কিছু বলতে গিও থেমে গেলাম।কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।এর থেকে ভালো বাসায় চলে যাই।

আমি বললাম,’আচ্ছা বলে, পিছন ফিরতেই সাফা এসে জরিয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিলো।
~আবার তোর কি হলো?
সাফাঃ সরি জান্স একদমি খেয়াল করিনি। আমি তো ভাবছি তোই আমাদের সাথেই। আমি কি যানতাম এমন কিছু হবে।
~আরে কিছুই তো হয়নি,তারপর মেঘা এসেও জরিয়ে ধরলো। ওদের নিয়ে বাসায় আসার পথে মনে পরলো আমার একটু শপিং মলে যেতে হবে। ওদের বাই বলে আমি অন্য দিকে চলে গেলাম।

——

শপিং মলে ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করছিলাম।কেনাকাটা প্রায় শেষ।কালো কালার একটা শাড়ি খুব পছন্দ হয়েছে। ভালোকরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সেটা দেখছিলাম।এক পর্যায়ে থমকে গেলাম। হাত তেকে শাড়িটা কখন পরে গেলো টেরো পাইনি।স্থির ভাবে তাকিয়ে রইলাম।সামনের মানুষটির দিকে।মাথা ঝিমঝিম করে উঠলো।এতগুলো দিন নিজেকে সামলে নিয়েছিলাম।আবার সেই চিন্তা, সেই ক্ষত বুকের ভেতর তাজা হয়ে উঠলো। ভালো করে তার দিকে তাকালাম কেমন যেনো শুকিয়ে গেছে। চোখের নিচে কালো দাগ পরে গেছে। চেহারায় আগের মতো লাবন্যতা আর নেই।হাতে ফুল নিয়ে নজর কারা হাশি দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

আমি চোখ নামিয়ে পিছনের দিকে হাটা শুরু করলাম।

অভি দৌড়ে গিয়ে নূরের সামনে দাড়িয়ে বললো,’প্লিজ নূর একবার আমার কথাটা শুনো।আমি মানছি আমি ভুল করেছি। প্লিজ আর একবার শেষ সুযোগ কি দেওয়া যায় না।’

~আমি তাচ্ছিল্যের সুরে বলে উঠলাম,’ছেলেরা সব সময় কচুপাতার পানির ন্যায়।কচুপাতায় যেমন পানি থাকেনা। ছেলেদের গায়েও কোনো দোষ থাকে না। প্লিজ আর আমার পিছু পিছু আসবেন না৷ এবার আমাকে আমার মতো থাকতে দেন।আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। আপনার প্রেমিকা কোথায়? আপনি আমার কাছে আর কি চান?

অভিঃ আমি জীবনে মানুষ চিনতে পারিনি নূর। আমাকে প্লিজ ক্ষমা করে দাও। আবার ফিরে চলো, মা ভালো নেই তোমাকে ছাড়া। প্লিজ চোখে জল, নিচে হাঁটু গেড়ে বসে পরলো অভি।
~আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। এই কাকে দেখছি, অভি এমন কেনো করছে? আর উনি তো অন্য কাউকে ভালোবাসে তাহলে আমার কাছে আবার কেনো? মা’য়ের জন্য!..মনে মনে এসব ভাবছি এমন সময় আবার অভি বলে উঠে,

অভিঃ আমরা মানুষেরা আমাদের কাছের মানুষগুলোকে ধরে রাখি না,চিনতেও পারি না,বিনা কারনে ওদের কষ্ট দেই,ছেড়ে দেই।আর যার জন্য ছাড়ি,’সেও একদিন আমাদের ছেড়ে চলে যায়। একবারও পিছন ফিরে তাকায় না।তাকানোর প্রয়োজন মনে করে না।কিন্তু কি জানি একটা কথা আছে,প্রকৃতি কাউকে কোনো দিন ছাড় দেয় না।সবাই সবার কৃতকর্ম এই দুনিয়া থেকেই পায়।একটু আগে বা পরে।প্রকৃতি কোনো ঋণ রাখে না।আর আমি আমার কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছি।

~আমি কি বলবো বুঝে পাচ্ছি না। অভির চোখে জল দেখে আমার কেনো এতো খারাপ লাগছে।আমার খুব ইচ্ছে করছে গিয়ে চোখেই জল মুছে দেই।আমার চোখের কার্নিশে একফোঁটা জল গড়িয়ে পরার অপেক্ষা করছে,যেনো এখনি তার পড়ার সময় হয়নি।কোনো কিছুর কমতি রয়ে গেছে।একটা ম্লান হাসি দিয়ে চোখ তুলে উপরে তাকানোর সাথে সাথে এবার সেই আঁটকে থাকা চোখের জল গড়িয়ে পরলো টুপ করে।আমি বলে উঠলাম,

“জীবনের বাঁকে বাঁকে সম্পর্কের গতিপত বদলায় ঠিক নদীর মতো।দূরের মানুষ কাছের হয়,কাছের মানুষ দূরের।এটাই ধ্রুব সত্য জীবনে।আমরা চাইলেও সবাইকে আঁকড়ে রাখতে পারিনা। আবার না চাইলেও,অনেকের মায়ায় জরিয়ে যাই। তবে যখন কোনো সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসে,তখন সে সম্পর্ক থেকে চুপচাপ সরে পরা দুজনের জন্য ভালো।আর যেখানে ভালোবাসার অস্তিত্বই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়,সেখানে নতুন করে ভালোবাসা খোঁজা, মরীচিকা ছাড়া কিছুই নয়।চূড়াবালিতে পা রেখে, ভালোবাসার আশা করাটা যে বড্ড ছেলেমানুষী।
একবার ছেলেমানুষী করেছি,দ্বিতীয় বার একই ভুল করতে চাই না।বলেই হাঁটা শুরু করলাম।”

অভি আমার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে নির্লিপ্তভাবে, যতক্ষন দেখা যায় তাকিয়ে ছিলো।

গাড়িতে বসে আছি আর ভাবছি,’একতরফা ভালোবাসার মতো যন্ত্রণা, এই পৃথিবীতে আর দুটো নেই।আর সেটা যদি হয় কারু প্রথম ভালোবাসা। শুধু নিরবে অশ্রু বিসর্জন করে সেই একতরফা ভালোবাসার মানুষ গুলো।সে কখনো তোমার হবে না,এটা ভেবেও কজন ভালোবাসতে পারে?একটা শুদ্ধতম অনুভূতির নাম,একতরফা ভালোবাসা।যার জন্য ভালোবাসার পসরা সাজিয়ে বসে থাকি আমরা,সে সেটা বুঝতেই পারেনা।হঠাৎ বুকের ভিতরটা চিনচিন করতে লাগলো।সেই চিরচেনা ব্যথায়।যেটা এতো দিন ছাই চাপা দিয়ে রেখেছি।আমি সেটাকে প্রানপনে চাপা দিয়ে দিতে চাইছি।কিন্তু মন বড্ড অবাধ্যতা করছে আজকে।

চিৎকার করে কেঁদে সব কষ্ট উগরে দিতে মন চাচ্ছে। যেটা এতো দিন গোপনে পুষে রেখেছি।আজ বোধহয় সেটা বেরিয়ে আসতে চাইছে।কি লাভ কষ্ট পুষে রেখে?

যেখানে দুজনের জীবন এখন দু দিকে বয়ে গেছে।

চলবে…
লেখার হাত ভিশন কাঁচা, ভুলত্রুটি মার্জনীয়।

#তুমি_কবে_আমার_হবে
#পর্ব_১৮
লেখিকা #sabihatul_sabha

গভীর রাত কফির মগ নিয়ে ছাঁদে দাড়িয়ে আছি। চারিদিকে নিস্তব্ধতা গাছগুলো কেমন একটু পর পর দোলে উঠছে।সারাদিন কি কি হয়েছে ভাবছি। চোখে ঘুম নেই।আরো কিছু সময় দাড়িয়ে থেকে রুমে চলে আসলাম।

——
সকালে উঠেই সাফার ফোন।ফোন দিয়ে কান্না কাটি শুরু করেদিয়েছে জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলছে না।বললাম আন্টির কাছে ফোন দে। আন্টি ফোন ধরে বললো ওনাদের বাসায় যেতে তাই রেডি হচ্ছি যাওয়ার জন্য।

ওদের বাসায় গিয়ে কলিং বেল টিপ দিলাম। নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। কে যেনো এসে দরজা খুললো,উপরে তাকিয়ে দেখি স্যার হা করে তাকিয়ে আছে।

রুদ্র হা করে তাকিয়ে আছে আর খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে।আজ যেনো মেয়েটাকে আরো বেশি সুন্দর লাগছে(কালো শাড়ি, এক হাতে চুরি, হালকা করে কাজল,ঠোঁটে হালকা গোলাপি রঙের লিপস্টিক,খোলা চুল কোমর পর্যন্ত। আজ অপূর্ব লাগছে। যত দূরে যেতে চাই ততোই যেনো আরো কাছে টানে ঠিক চুম্বকের মতো। রুদ্র মনে মনে ভাবছে)

~আমার খুবই অসস্তি লাগছে, না স্যার আমাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না কিছু বলছেন। হা করে তাকিয়েই আছেন।

আমি এবার স্যারের দিকে তাকিয়ে একটু হাসি দিয়ে বললাম,’ স্যার কেমন আছেন?
স্যারের মনে হয় এবার হুঁশ আসলো,’ দরজা থেকে সরে বললেন, সরি..আলহামদুলিল্লাহ ভালো।তুমি কেমন আছো?
~জি আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি।
রুদ্রঃ বাহিরে দারিয়ে আছো কেনো।ভেতরে আসো।
~আমি ভেতরে গিয়ে দেখি আন্টি রান্নাঘরে। আঙ্কেল সোফায় বসে আছেন আজ কে হয়তো অফিসে জাননি।

আঙ্কেল আমাকে দেখে বললেন,’ কেমন আছো নূর? এদিকে আসো।
~ জি আঙ্কেল ভালো। বলেই আঙ্কেলের কাছে গেলাম। দেখি আন্টিও রান্নাঘর থেকে আসলেন।আঙ্কেল আন্টিকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে আমি আসাতে তারা অনেক খুশি হয়েছেন।

আন্টি বলে উঠলেন, ‘ নূর তুমি খুব একটা লক্ষি মেয়ে।আর সাফার সব থেকে প্রিয় মানুষ হলে তুমি। আমি জানি সাফা আমাদের কথা না শুনলেও তোমার কথা শুনবে।

(আমি মনে মনে ভাবছি, এমন কি কথা যা কারো কথাই শুনবে না আমাকে লাগবে)স্যার ওনার রুমে চলে গেছেন।

আমি বললাম,’ জি আন্টি কি কথা বলেন?

আন্টিঃ সাফার জন্য একটা ভালো সমন্ব এসেছে। তোমার আঙ্কেলের বন্ধুর ছেলে।খুব ভালো ছেলে আজ দেখতে আসবে।কিন্তু সাফা বলছে ও এখন বিয়ে করবে না। দেখতে আসলেই তো বিয়ে হয়ে যায় না তাই না।তুমি একটু ওকে বুঝিয়ে রেডি করাও মা আমি জানি তুমি পারবে।না হলে তোমার আঙ্কেল ওনাদের সামনে ছোটো হয়ে যাবে।
~ আচ্ছা আমি দেখছি। আপনি টেনশন করবেন না। মেহমানের জন্য রান্না করেন আমি সাফার কাছে যাচ্ছি। বলেই উঠে সাফার রুমের দিকে চলে গেলাম।

হঠাৎ রুদ্রের মা’র মাথায় আসলো নূর কে রুদ্রের সাথে কেমন লাগবে।মেয়েটা যথেষ্ট ভদ্র, শান্ত, ভালো একটা মেয়ে।ওনি গিয়ে রুদ্রের বাবা কে বললেন,’ রুদ্রের বাবা শুনো?

রায়হান খানঃ হুম বলো?

রুদ্রের মা বললেন, ‘ আচ্ছা আমাদের রুদ্রের সাথে নূর কে কেমন লাগবে?মেয়েটা কে আমার অনেক ভালো লাগে। ছেলের বউ হিসেবে তুমি কি বলো?

রায়হান খানঃ খারাপ না, সাফার বিয়ের পর পরি নূরের আম্মুর কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাবো।
(নূরের আব্বু নেই।২বছর আগে কার এক্সিডেন্ট মারা গেছে।)

——

সাফা চুপ করে বসে আছে বিছানার এক পাশে। আমি ওকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছি।মুখ টা কেমন ফেকাসে হয়ে গেছে।চোখ গুলো কেমন লাল হয়ে আছে। হয়তো কান্না করার কারনে।

~কিরে মুখটা এমন ফাটা বেলুনের মতো করে রাখছোস কেনো।মনে হইতেছে তোর জামাই শহীদ হইছে।

সাফা এবার আমার দিকে তাকিয়ে বললো,’ নূর আমি মজার করার মুডে নাই।’

~বুঝলাম তো এভাবে মুখ পেঁচার মতো না করে সুন্দর করে রেডি হয়ে নে।

সাফাঃ নূর তোইও, বলে অসহায় চোখে আমার দিকে তাকালো।

~দেখতে আসলেই কারো বিয়ে হয়ে যায় না। আর ছেলে তোর পছন্দ না হলে আমি নিজেই বিয়ে হতে দিবো না।তোর আমার প্রতি বিশ্বাস আছে তো?

সাফাঃ সত্যি তো?
~হুম জান্স তিন সত্যি। এবার রেডি হবি আয়।

নীল শাড়ি, দুহাত ভর্তি চুরি,চোখে মোটা করে কাজল,ঠোঁটে গারো লিপস্টিক, চুলগুলো খোপা করা। এমনিতেই সুন্দরী এখন আরো বেশি সুন্দর লাগছে।

~জান্স আমি নিজেই তোকে দেকে ক্রাশ খাইছি, ছেলের যে কি হবে আল্লাহ জানে বলেই চোখ মারলাম।আর সাফা রেগে মুখ ফুলিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে আছে।

কিছুক্ষন পর আন্টি আসলো সাফা কে নিতে। ওনি খুব ভয়ে ছিলেন মেয়ে রেডি হয় কি না। ছেলে পক্ষদের আপ্যায়ন করতে গিয়ে মেয়ের কথা ভুলেই গিয়ে ছিলেন।সাফা কে দেখেই বললেন মাশাল্লাহ কতো সুন্দর লাগছে আমার মা টাকে।বলেই আমার দিকে কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে তাকালেন।

ছেলেপক্ষের সামনে বসে আছে সাফা। এখনো কারো দিকে তাকায় নি।নিচের দিকে তাকিয়ে এসে এখানে বসেছে এখনো নিচের দিকেই তাকিয়ে আছে।

হঠাৎ একটা পরিচিত কন্ঠ সুর শুনে চমকে উঠলো। সাফার মনে হলো এই কন্ঠ টা সে এর আগেও শুনেছে কিন্তু কোথায়?তারাতারি উপরে তাকালো। তাকিয়ে যাদের দেখলো সাফার হার্টবিট বেরে গেলো। আমি তো প্রথম থেকেই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি।

সাফার সামনে শান্তর পরিবার বসে আছে।
মেঘ আমাকে দেখেই উঠে এসে আমার কাধে হাত রেখে বললো,’ আমাদের সম্পর্ক আজ থেকে কি জানিস? বলে এক ব্রু উঁচু করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

~কেনো রে আজ কি কোনো বিশেষ দিন যে আজ থেকে সম্পর্ক পাল্টে যাবে?
মেঘঃ আরে তুই তো দেখি কিছুই বুঝছ না।সমস্যা নাই সুন্দরী মেয়েরা একটু কমই বুঝে। বেপার না আমরা বেয়াই আছি কিসের জন্য সব বুঝিয়ে দিবো নে।বলেই চোখ মেরে আগের জায়গায় গিয়ে ভদ্র ছেলের মতো বসে গেলো।

আমি এখনো অবাক হয়ে ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছি। এই ফ্লার্ট বাজ কি আমার সাথেও ফ্লাট করে গেলো?আর ফ্রেন্ড থেকে ডাইরেক্ট বেয়াই!!

রুদ্রের আম্মু বলে উঠলো, ‘ মাশাল্লাহ আমার ছেলের পছন্দ আছে।বেয়াই সাহেব আমি খুব তারাতারি আমার এই মিষ্টি বউ আর নাতি/নাতনি দের আমার ঘরে তুলতে চাই।

নাতি/নাতনির কথা শুনে সাফার আম্মু-আব্বু এক সাথে বলে উঠলো, ‘ কি!! নাতি/নাতনি মানে!?

সাফা ঘামছে, সে বুঝতে পারলো অন্যের জন্য ফাঁদ পাততে গিয়ে সে নিজেই সেই ফাঁদে পরে গেছে।কেমন যেনো মাথা ঝিমঝিম করছে শান্তর দিকে তাকিয়ে দেখে কেমন যেনো দুষ্ট হেসে সাফার দিকে তাকিয়ে আছে
সাফার অবস্থা দেখে খুবই মজা পাচ্ছে শান্ত। পিচ্চি একটা মেয়ে আমার সাথে আসে লাগতে এবার মজা বুজো।

রুদ্র শান্ত চোখে সব দেখছে ওকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে। রুদ্রকে শান্ত আগে থেকেই সব বলে রেখেছে।

এদিকে সাফার চোক আসতে আসতে বুঁজে আসছে।এক পর্যায়ে সাফা জ্ঞান হারায়। শান্ত সাফার পাশেই বসে ছিলো।সাফা ডলে পরে শান্তর বুকে।

চলবে…

ভুলত্রুটি মার্জনীয়।