Home "ধারাবাহিক গল্প তুমি বৃষ্টি হয়ে নামলে তুমি বৃষ্টি হয়ে নামলে পর্ব-০১

তুমি বৃষ্টি হয়ে নামলে পর্ব-০১

0
620

#তুমি_বৃষ্টি_হয়ে_নামলে
#সূচনা_পর্ব
#লেখনীতে_তানিয়া

নিজের স্ত্রীর সাথে পরপুরুষ এর শারীরিক সম্পর্কের কেলেঙ্কারির খবর হাসপাতালের ক্যান্টিন এর টিভি স্ক্রীনে দেখে মুখে তুলতে নেওয়া লোকমাটুকু পড়ে গেলো নিয়াজের। সকাল থেকে কিছুই খাওয়া হয়নি তার। অভুক্ত পেটে সকাল থেকে ডিউটি করছে সে। এখন বাজে বেলা তিনটা। মাত্র একটা ক্রিটিক্যাল অপারেশন এসিস্ট করে এসেছে সে। গতকাল রাত দুটো অবধি ডিউটি করে সকাল সাতটায় আবার ডিউটি শুরু হয়েছে তার। হাসপাতালের রোগীর ভীষণ চাপ যাচ্ছে এখন। এরই মধ্য পাশের টেবিল থেকে অচেনা একজন মহিলা বলে উঠলো,
” আজকাল বেডিগো এক ভা/তার দিয়ে হয় না। জায়গায় জায়গায় তাগো আরেকজনের লগে শোয়া লাগে৷ এই জন্যই মেয়ে মানুষ এর এতো পড়াশোনা করতে দিতে নাই। লাগাম ছুইট্যা গেলে তারা মৌমাছি হয়ে যায়। বেডি তোর যখন এতোই শরীরের তাপ তাইলে ওই লাল পাড়ায় যাইতি। তাপও কমতো পয়সাও কামাইতি”।

নিজের স্ত্রীকে নিয়ে এতকম কু/রুচিপুর্ণ কথাটা শুনে নিয়াজের মনে হলো তার কানে কেউ গরম সীসা ঢেলে দিয়েছে। নিয়াজ প্রচণ্ড ভদ্র এবং নম্র স্বভাবের একজন মানুষ। বর্তমান হাসপাতালে সিনিয়র সার্জন হিসেবে কর্মরত আছে সে এখন। হাসপাতালের দারোয়ান থেকে শুরু করে সব সিনিয়র, জুনিয়র, ডাক্তার, নার্স এবং কলিগদের সাথে তার খুব ভালো সম্পর্ক। রোগীদের সাথেও তার অমায়িক ব্যবহার। নিয়াজের স্ত্রী তুরফাকে তারা বেশ ভালোভাবেই চেনে। নিয়াজ এখানে নতুন জয়েন করার পর বেশ কয়েকবার তুরফা এসেছিলো তাদের হাসপাতালে। খবরটা দেখে ইতিমধ্যে আশেপাশের মানুষ জনের মধ্য বেশ গুঞ্জন উঠে গেছে। অচেনা মহিলাটার কথা শুনেই নিয়াজ যেনো পুরো শরীর জুড়ে প্রচন্ড ঝাঁকি খেলো। টিভি স্ক্রিনে রিপোর্টার বলছে

” কুমিল্লা জেনারেল হসপিটাল এর সিনিয়র সার্জন আহমেদ রাকীন এর সাথে এসিস্ট্যান্ট সার্জন ডঃ মালিহা রহমান তুরফার অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক গনমাধ্যমে। প্রাথমিক পর্যায়ে শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্য নাকি গত একবছর থেকেই এই সম্পর্ক চলে আসছিলো”।

নিয়াজ দূর্বল গলায় বিরবির করে আওড়ালো,

” এক বছর “!!!

এরপর নিয়াজের আর কিছু মনে নেই। শরীরের ভর ছেড়ে দিলো। ঠিক পাশেই তার একজন জুনিয়র কলিগ ছিলো। ধরে ফেললো তাকে। নিয়াজ জ্ঞান হারিয়েছে। আর দু তিনজন স্টাফ মিলে ধরাধরি করে তাকে কোনোরকমে চেয়ারে বসানো হলো। সারাদিনের ক্লান্তি তার উপর অভুক্ত শরীর এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আসা ঝড়ের চাপটা নিতে পারেনি সে। তাদের একজন নিয়াজের চোখে মুখে পানি ছিটিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করতে লাগলো

” নিয়াজ ভাই চোখ খুলুন। দেখেন সব ঠিক আছে। কিছু হয়নি। ভাইয়া চোখ খুলুন”।

জুনিয়র কলিগ তার পালস চেক করে বললো,

” শরীর খুব দূর্বল উনার। পালস রেট খুবই ধীর গতিতে চলতেছে। উনাকে বেডে নিয়ে আরও ভালো করে চেক আপ করতে হবে”।

হসপিটালে ততক্ষনে খবর ছড়িয়ে গেছে। বলা হয়ে থাকে খারাপ খবর বাতাসের চেয়েও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে যায়। হলোও তাই। সারা হাসপাতালে মুহুর্তের মধ্য এই বিষয় নিয়ে কথা শুরু হলো। মুখরোচক সব কথাবার্তা। সবাই ফোন হাতে নিয়ে এই খবরটাই বারবার দেখছে। এই দিকে নিয়াজকে হস্পিটালের একটা বেডে নেওয়া হলো। প্রেশার লো হয়ে গেছে। আরও কিছু গুরুতর হয়েছে কিনা তার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। কারন এখনো জ্ঞান ফেরেনি। হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তার নিয়াজকে চেক করে বললো,

” স্যালাইন চলছে চলুক। শরীরটা দূর্বল। ওর বিশ্রামের প্রয়োজন। ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছে। ঘুম থেকে উঠলে বুঝা যাবে কি অবস্থা”।

অন্যরা সবাই একে অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে। কি থেকে কি হয়ে গেলো। এইতো প্রায় দুমাস আগে স্ত্রী সহ হসপিটালে এসেছিলো। সবার সাথে স্ত্রীকে পরিচয় করে দিয়েছিলো। বেশ হাসিখুশি ছিলো তারা। মনেই হয়নি তাদের মধ্য কোনো সমস্যা চলতেছে। একজন নার্স উশখুশ করতে করতে বলেই বসলো

” স্বামী এক জায়গায় আর বউ আরেক জায়গায় চাকরি করলে মনের মিল কি আর থাকে? শরীরের টান ফিকে হয়ে যায়। এই জন্য স্বামী স্ত্রী দূরে থাকতে হয়না। কি জানি এখনকার মানুষের মধ্য মিল মোহাব্বত কোথায় যে চলে যায়। আহা!কি ভালো মানুষ এর সাথে কি থেকে কি হয়ে গেলো “।

অন্যদিকে খবরটা হুহু করে ছড়িয়ে পড়ার পর তুরফা কি করবে না করবে কিছুই ভেবে পাচ্ছিলো না। সে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি তার সাথে এরকম কিছু ঘটে যাবে। তাদের মধ্য যে অনৈতিক সম্পর্ক এতোদিন ধরে চলে আসছিলো সেটা এরকম বিচ্ছিরিভাবে সবার সামনে আসবে সে কল্পনাতেও ভাবেনি।কিন্তু আড়াল থেকে এই কাজ কে করলো? রোজকার মতো ডিউটি করছিলো সে। গাইনী ওয়ার্ডে রোগী দেখছিলো। এর মধ্য সে খেয়াল করলো কিছু মানুষ তার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে। নিজেদের মধ্য ফিসফিস করে কথা বলছে। সে পাত্তা দিলো না। হাসপাতালে নানা ধরনের মানুষই আসে। এরকম বহু অভিজ্ঞতা তার হয়েছে। আবারও রোগী দেখায় মন দিলো সে। দুটো রোগীকে দেখার পর দুজন নার্সকে বলতে শুনলো

” এই ডাক্তারকেইতো ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে। ছিঃ ছিঃ শেষে কিনা বিবাহিত মেয়ে হয়ে পরপুরুষ এর সাথে এরকম কাজ! চেহারা সুন্দর দেখে যার তার গলায় ঢলে পড়া কিছু মেয়েদের স্বভাব। এরা হচ্ছে এমন। আমিও মাঝে এদের দুজনকে অনেকবার একসাথে দেখেছি। কাজ ছাড়াও দুজন হেসে হেসে কথা বলতো। এখানে ওখানে যাইতো। ডাক্তার রাকীন না হয় ডিভোর্সী মানুষ তাই বলে এই মেয়ের লজ্জা শরম নাই। স্বামী রেখে আরেকজনের সাথে ছিঃ”।

তুরফার মাথা ফাকাঁ হয়ে গেলো এসব কথা শুনে। সে যেনো মুহুর্তের মধ্য বরফের মতো জমে গেলো। কি বললো এরা ভিডিওতে কি দেখা যাচ্ছে। কোনোরকমে হাতের ফোনটা বের করতেই দেখলো তার মা কল করছে। কলটা রিসিভ করলো না। ফোনের ডাটা অন করতেই একের পর এক মেসেজ আসতে লাগলো তার ফোনে। কি হয়েছে তা বুঝতে গিয়ে যা দেখলো তাতে তার পায়ের তলায় মাটি সরে গেলো। ডাক্তার রাকীনের সাথে তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে। ভিডিওটা অন করতেই দেখলো সে আর রাকীন একটা হোটেলে গিয়ে রাতে বেড শেয়ার করেছে তার আংশিক ভিডিও। সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে কিভাবে তারা একে অপরের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। আশেপাশে তাকিয়ে দেখলো সবাই তার দিকেই তাকিয়ে আছে। সে এক ছুটে ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে ডাক্তার রাকীনের কেবিনে ঢুকলো। রাকীন তখন টেবিলে মাথা নিচু করে রেখেছে। তুরফা প্রচন্ড রাগ নিয়ে হিতাহিতজ্ঞানশূন্য হয়ে টেবিলে হাত দিয়ে চাপর দিয়ে বললো,

” এসব কি ডক্টর রাকীন? কিভাবে কি হলো? আপনার আমার কথা মিডিয়া অবধি কি করে গেলো? আমাদের একসাথে হওয়ার মুহুর্ত ভিডিও করে কে ছড়ালো?

রাকীন টেবিল থেকে মাথা উঠালো। চোখমুখ লাল তার। গতরাতে দুটো সার্জারি করতে হয়েছে। ঘুম হয়নি। তার উপর সকাল হতেই আবার হাসপাতালে আসতে হয়েছে। রাকীন নিজেও হতভম্ভ। কিছুই বুঝতে পারছে না সে। তুরফার দিকে চেয়ে বললো,

” তুমিও যেখানে আমিও সেখানে তুরফা। আমি কি করে জানবো এসব কি করে হলো? আমিতো আর এসব করিনি। নিজের নাম বদনাম করে আমার কি লাভ? আমি এসবের কিছুই জানিনা “।

তুরফা যেনো কিছুই বুঝতে চাইলো না। সে রেগে গিয়ে রাকীনের কলার ধরে বললো,

” আপনি জানেন না মানে কি? আপনি না জানলে কে জানবে? ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমরা যে রুমে ছিলাম সেখান থেকে কেউ আমাদের ক্লিপ নিয়েছে। আর আপনি বলছেন এসবের কিছুই জানেন না। আপনিই করিয়েছেন এসব। আপনার কারসাজি এসব। নিজে এসব করিয়ে এখন সাধু সাজছেন”।

রাকীন তুরফার আকস্মিক এই আচরণে টালমাটাল হয়ে গেলো। শরীরের ভর ছেড়ে দুই পা পিছিয়ে গেলো। কোনোরকমে নিজেকে সংযত করে তুরফার হাত নিজের শার্টের কলার থেকে ছাড়িয়ে বললো

” Mind your language Turfa. Don’t dare to cross your limit”.

তুরফা যেনো কাচেঁর পুতুলের মতো মাটিতে ধপাস করে পড়ে গেলো। এতো কষ্ট করে ডাক্তার হওয়া। এতো পড়াশোনা, পরিশ্রম করে বিসিএস ক্যাডার হওয়া। তার মান সম্মান আর ক্যারিয়ার সব কিছুই আজ ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। আর নিয়াজের সাথে তার সম্পর্ক? সেটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? কি জবাব দিবে তাকে? বাবা-মাকে কি বলবে? তার মেয়ে বিবাহিত হওয়ার পরেও আরেক পুরুষের সাথে হোটেলে গিয়ে রাতে থেকে এসেছে। তুরফা যেনো ঘর কাঁপিয়ে চিৎকার করে উঠলো। অপরাধবোধ আর তীব্র অনুশোচনার হাহাকারে আছরে পড়ে কাঁদতে লাগলো। কতবড় অন্যায় করে ফেলেছে সে। আবেগের বসে কত বড় পাপ করে ফেলেছে সে। হাতে থাকা ফোনটার দিকে তাকালো সে। সবার কল আসছে কিন্তু নিয়াজের কোনো কল টেক্সট কিছুই নেই। তুরফা মনে মনে আওড়ালো,

” নিয়াজ কি এখনো খবরটা দেখেনি? কোনো খবর নেই কেনো তার”।

তুরফা ইতস্তত করতে করতে দুরুদুরু বুকে নিয়াজকে কল করলো। ওপাশ থেকে মেয়েলি কন্ঠে ভেসে আসলো

” আপনি যে নাম্বারে কল করেছেন তা এই মুহুর্তে বন্ধ আছে। অনুগ্রহ করে একটু পরে আবার ডায়াল করুন”।

তুরফাকে পাগলের মতো অস্থির হতে দেখে রাকীনের হুশ ফেরে। তাকে মেঝে থেকে তুলে বলে,

” বিশ্বাস করো তুরফা আমি এসবের কিছুই জানিনা। কে করেছে কিভাবে হয়েছে কিছুই জানিনা। কেউ ইচ্ছে করে আমাদের ফাঁসানোর জন্য এসব করেছে। ”

তুরফা কাঁদতে কাঁদতে হিচকি তুলে বলে

” সব আপনার জন্য হয়েছে। আপনি এসবের জন্য দায়ী। সেই রাতে যদি আপনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তাহলে আজকে এতো কিছু হতো না। আমার ঘর সংসার ক্যারিয়ার এরকম করে ভেসে যেতো না। আমি এখন কিভাবে লোক সমাজে মুখ দেখাবো? কিভাবে নিয়াজের মুখোমুখি হবো? কিভাবে বাবা-মার সামনে যাবো। এই ঘর থেকে বের হলেই সবাই কেমন অদ্ভুত চোখের ইশারায় তাকিয়ে থাকবে। কি লজ্জা!!!!”

রাকীন তুরফার দিকে তাকিয়ে জোর গলায় বললো

” সব কিছুই কি আমার জন্য হয়েছে? শুধু কি আমিই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলাম? আমি না হয় ঘোরের মধ্য ছিলাম তুমিতো হুশে ছিলে। তুমি কেনো সেদিন নিজেকে দূরে রাখোনি? কেনো আমাকে প্রশ্রয় দিয়েছিলে? কেনো এতো কাছে এসেছিলে? কেনো সেই বেতাল স্পর্শে সায় দিয়েছিলে? বলো?

তুরফা চিৎকার করে বলে উঠলো,

” ভুল করেছি। আমিও সেদিন ঘোরে চলে গিয়েছিলাম৷ আবেগের মোহে পড়ে সবচেয়ে বড় অন্যায়ের শুরুটা করেছিলাম। পা/প করেছি। মহা”পাপ। যার কোনো ক্ষমা নেই।। নিয়াজের মতো ছেলেকে ঠকিয়েছি আমি “।

রাকীন যেনো উন্মাদ হয়ে গেলো তুরফার কথা শুনে। তুরফার মুখে এখন নিয়াজের নাম শুনে গা জ্বলে গেলো তার। চিৎকার করে বললো,

” এখন স্বামীর জন্য দরদ উতলে উঠছে তোমার তাই না? এতোদিন কোথায় ছিলো এই দরদ এই চিন্তা। আমার সাথে বেড শেয়ার করার সময় এই চিন্তা তোমার মাথায় আসেনি কেনো?

তুরফা অসহায় চোখে রাকীনের দিকে তাকিয়ে আছে। এই লোকটার সাথে কিসের মোহে পড়ে সে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলো। কবে কিভাবে নিয়াজের সাথে তার শারীরিক মানসিক এতো দুরুত্ব বেড়ে গেলো সে বুঝতেই পারলো না। এতো কিছু তার মাথায় আসছে না৷ সে শুধু ভাবছে নিয়াজকে কি জবাব দিবে সে? কোন মুখে দাঁড়াবে তার সামনে? সে দুহাত দিয়ে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে লাগলো। তুরফার ফোনে অনবরত কল আসছে কিন্তু তুরফা ধরছে না। কল ধরে কি বলবে? নিজের অপকর্মের কি সাফাই দিবে সে? একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসতেছে। তুরফা কি ভেবে যেনো রিসিভ করলো। ও পাশ থেকে যা শুনলো তাতে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেলো। ফোনটা হাত থেকে পড়ে গিয়ে দু টুকরো হয়ে গেলো। রাকীন তুরফার এই হাল দেখে জিজ্ঞেস করলো,

“কি হয়েছে তুরফা? এমন কাঁপছো কেনো”?

তুরফার ঠোঁট কাঁপছে। সে কোনো কথা বলতে পারছে না। রাকীন তার কাছে গিয়ে বাহু ধরে ঝাঁকিয়ে বললো

” কি হয়েছে কি? কার ফোন ছিলো?

তুরফা কাপাঁ কাঁপা গলায় অস্ফুট স্বরে বললো,

” নিয়াজ ব্রেইন স্ট্রোক করেছে”।

চলবে…….

শব্দসংখ্যা ১৫৯৩