Black Rose Part-06 (Season-02)

0
1378

#Black_Rose
#Season_02
#The_Dark_Prince_of_vampire_kingdom♚
#Megh_La
#Part_06

(গল্পে প্রেমের দৃশ্য ফুটে উঠছে এমন মনে হচ্ছে। গল্পটা ইগনোর করবেন।
ধন্যবাদ)
–জি বাবাই বলো৷
–তুমি আমাকে বাবাই বলে মানো সোনা মা।
–এমন কেন বলছো বাবাই৷
–এমন বলার কারন আছে৷
–কি কারন?
–জানো তোমার মাকে আমার জখন পছন্দ হয়েছিলো আমি এসে তোমার দাদু কে আগে বলেছিলাম৷
দেখ তোমার মা কিন্তু সম্পর্কে আমার ছোট ভাই এর ছোট সালি তাও কিন্তু আমাকে তোমার দাদু বারন দেয় নি৷
তুমি আমার মেয়ে হয়ে এমন একটা ভুল ছেলের কাছে কি করে ধরা দিলে৷
–বাবাই কি বলছো কি কে ভুল ছেলে কার কাছে ধরা দিছি আমি৷
–মিথ্যা কেন বলছো আদ্রিজা আদ্রিয়ান সবটা বলেছে তোমার বাবাইকে৷ আমি সব শুনে একটা ডিসিশন নিছি যা তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কি ইচ্ছে সত্যে আমি জানি না তবে এটাই হবে। (মেঘ)
–কি বলছো মাম্মাম আমার মাথায় আসছে না৷ কি ঠিক করছো
–২ দিন পর তোমার আর আদ্রিয়ানের বিয়ে।
মায়ের মুখে এ কথাটা শুনে আমার পায়ের তলার মাটি কেমন ফাক হয়ে গেল৷
কি বলছে এগুলা৷
আমার কষ্ট অনুভব হচ্ছে প্রচুর৷
কিন্তু আমার তো খুশি হবার কথা৷
এতো বছরের চাওয়া পুরোন হচ্ছে কিন্তু আমি বুকের মধ্যে চাপা কষ্ট অনুভব করছি৷
আর বার বার সেই শীতল হাওয়া আর মিষ্টি ঘ্রানের কথা মনে পড়ছে কিন্তু কেন৷
–মাম্মাম কি করে এটা এমন একটা ডিসিশন নিচ্ছ।
–আদ্রিজা ভেতরে যা-ও।
–বাট মাম্মা
–ভেতরে যা-ও (ধমক দিয়ে)
মাম্মামের ধমক শুনে আমি কেঁপে উঠলাম৷
ছোট থেকেই বকা কাকে বলে তা জানতাম না আমি৷ কারন বাবাই মাম্মাম আমাকে কখনো বকেই নি৷
আজ মনিও চুপ ছিলো তাহলে আমি নিশ্চিত এমন কোন অন্যায় করেছি যার জন্য আজ বকা শুনতে হলো।
আর এতো বড়ো শাস্তি পেতে হলো কিন্তু আমি করেছিটা কি।
আল্লাহ আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।


রুমের দরজা লাগিয়ে এক নাগার কাঁদতে আছি আমার চোখের পানি আজ বাধ মেনেছে। ।
কিছুতে কমছে না৷ খুব কষ্ট হচ্ছে আজ৷
আমার এতো কষ্ট কেন হচ্ছে।
আমি বুঝতে পারছি না৷
আমার দোষ টা কি৷
একটা বার কেউ বললো না আমার দোষটা কি৷
আমাকে আমার দোষ না বলেই শাস্তি দিয়ে দিলো৷
–আদ্রিজা৷
হটাৎ কারোর অচেনা কন্ঠ শুনে মাথা তুললাম৷
একটি ছেলে আমার সামনে৷ একটি বললে ভুল এটা সেই ছেলেটা । কিন্তু আমার রুমে দরজা জানলা অফ ও কি করে আসলো।
–তুমি ভাবছো কি করে আসলাম আমি৷
–কে আপনি৷
–তোমার খুব কাছের কেউ৷
–মানে।
–একটু সময় দিতে পারবে আমাকে আমি সব বলবো তোমাকে। ।
–মানে৷
–কাল সকাল ৬ টা সেই পুরনো কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায় অপেক্ষা করবো আমি আমাকে শুধু ১০ মিনিট দিও৷
আমি জানি তুমি আসবে।
–কিন্তু
–আদ্রিজা৷
হটাৎ আদ্রিয়ান ভাইয়ার কথা শুনে আমি ভয়ে জমে ফ্রিজ হয়ে গেছি৷
গাড় আমার নিচের দিকে৷
আদ্র কে দেখে ফেলেছে ভাইয়া এবার আমার রক্ষা নাই৷
মাথা তুলতে পারছি না আমি।সেই সাহস হারিয়ে ফেলেছি।
–কিরে এমন করে আছিস কেন?
–আসলে
এবার মাথা তুকে তাকায় দেখি আদ্র নাই৷
কিন্তু গেল কই তার মানে ভাইয়া আদ্রকে দেখি নি৷
–আদ্রিজা৷ । –
–হ্যা৷
–কি ভাবিছিস।
–কি।কিছু না।
ভাইয়া হটাৎ আমার কাছে চলে এলেন।
আমি পেছন দিকে সরতে গেলে হাত ধরে বসে।
–এতো ভয় পাচ্ছিস কেন
–আম
–দুদিন পর আমাদের বিয়ে তুই আমার বৌ হতে চলেছিস তাও এতো লজ্জা কেন৷
আমি মাথা নিচু করে ফেলি কেন জানি না ভাইয়ার কথা গুলো শুনে আমার বুকের মধ্যে কষ্ট অনুভব হচ্ছে।
–কি হলো কিছু বল৷
আমি চুপ আছি৷ ।
–আচ্ছা বুঝতে পারছি তুই আমার সাথে ফ্রি না।
চল কাল সকাল ৭ টার দিকে তোকে নিয়ে ঘুরতে যাবো৷
–না (একটু জোরে)
হটাৎ এতো জোরে না বলাতে আমি নিজেই থতমত খেয়ে গেলাম৷
–মানে এতো সকালে বিকালে যা-ই ।
–না কোন বিকাল নয় কাল সকাল ৭ টায় রেডি থাকিস৷
বলেই আমার কপালে আলতো করে চুমু দিয়ে চলে গেল৷
আমি এখনো ওভাবে বসে আছি।
মনটা বার বার আদ্রর কাছে যেতে চাইছে।
কিন্তু কাল সকালে।
আল্লাহ আমি এ কোন দিধায় পড়লাম৷
আমাকে দয়া করো৷
মাথা ধরেছে এমন সময় জানালা দিয়ে একটা শীতল হাওয়া আসছে।
মনটাকে শান্ত করে দিলো৷
বালিসে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়লাম৷
আর ঘুম চলে এলো৷



কখনো তোমায় অন্য কারোর হতে দিবো না।
কথা দিলাম৷



চলবে,