Black Rose Part_07

0
1753

#Black_Rose
#the_dark_prince_of_vampire_kingdom♚
#Megh_La
#Part_07

(কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা। গল্পে নিজের মনের মতো ভাষার ব্যাবহার না পেলে প্রেমের দৃশ্য ফুটে উঠছে এমন মনে হলে গল্পটা ইগনোর করবেন। ধন্যবাদ)
কিছু সময় পর,
আমরা একটা সুন্দর লেক টাইপের কোথাও এলাম৷ চোখের পলকে৷
চাঁদ উঠেছে। আজ পুরো জোছনা।
লেকের পানির উপর চাঁদের আলো পরে প্রতিফলন হচ্ছে।
চারি দিকে বড়ো বড়ো গাছ। মিস্টি বাতাস বইছে।
সামনে থাকা একটা কাঠ দিয়ে করা পাড়ে আমাকে নামালেন।
এতো সুন্দর এ দৃশ্য দেখে আমি সত্যি বাক রুদ্ধ।
–এটা কোথায় আমান।
–আমার রাজ্য তুমি এই রাজ্যের রানি।
–এটা vampire রাজ্য?
–হুম কিন্তু এখানে আমার অনুমতি ছাড়া কাউকে এলাউ না৷
তোমার জন্য করা৷ সুন্দর হইছে?
–খুব সুন্দর। সত্যি আমার মনটা এক দম ভালে হয়ে গেছে।
–আচ্ছা আরো অনেক গুলো জায়গা আছে কিন্তু৷
–আরো অনেক?
–ভয় নেই এর মধ্যেই আরো অনেক জায়গা আছে।
চলো আজকে নতুন করে প্রোপজ করি তোমাকে।
আমি আমানের দিকে তাকালাম।
উনি একটা কালো গোলাপ হাতে হাঁটু গেঁড়ে বসে আমার দিকে গোলাপটা দিয়ে বললেন
–জীবনের বাকি ১০০০ বছর তোমার সাথে থাকতে চাই৷ আমার বেঁচে থাকার কারন হবে প্রিয়।
ওনার কথা শুনে ওনার হাত থেকে ফুলটা নিয়ে নিলাম৷
তার পর উনি আমাকে একটা আংটি পরিয়ে দিলেন।
–যত দিন এটা তোমার সাথে আছে ভাব্বে আমি আছি৷
–সারা জীবন থাকবে।
–এতোকিছুর মধ্যে একটা কঠিন সত্যি আছে মেঘ।
–কি?
–আমি বেবি নিবো না।
–কেন
–তোমার লাইফ রিক্স আছে।
–আমান আমি কিছু জানি না। একটা বেবি ছাড়া এমনি মরে জাবো আমি।
–বাট।
–চুপ এখন এই মুহুর্ত টাকে নষ্ট করতে চাই না৷
চলুন পানিতে পা ভিজিয়ে আপনার কাধে মাথা রাখি৷
উনি আমার পাশে বসলেন৷ আমরা পা পানিতে দিয়ে দিলাম।
আমি মাথাটা ওনার কাঁধে রাখলাম৷
এটা যে কি শান্তি তা সুধু আমি জানি৷
অসম্ভব সুন্দর একটা পরিবেশ। আর প্রিয় মানুষ টার কাঁধে মাথা।
আমার আর কিছু লাগবে না৷
সময়টা এখানে থমকে যাক। আমি শুধু ফিল করতে চাই৷
কিছু সময় ওখানে কাটানোর পর
আমান আর আমি বাসায় চলে আসি।
–এই চাঁদ টা আজ আমার চাঁদের কাছে ফ্যাকাসে।
–ইস এটা পাম।
–না এক দমি না৷
আমান মেঘকে কাছে টেনে নেয়।
চাঁদের আলেতে গা ভিজিয়ে পূর্ণতা পেল ওদের ভালোবাসা।

সকালে,
খাওয়া-দাওয়ার শেষ করে,
–মা আমাদের এখন বেরোতে হবে। (আহম্মেদ)
–হ্যা অফিস যাবো ওদের বাসায় দিয়ে এসে৷ (আমান)
–আজ থেকে গেলে ভালো হতো না (মেঘের আম্মু)
–না মা সম্ভব না। (আমান)
কিছু সময় পর সবার থেকে বিদায় নিয়ে আমরা বাসায় চলে এলাম৷
আমান আর ভাইয়া অফিস চলে গেল৷
–মেঘ৷
–হ্যা তোবা বল (আমি আমার আপুকে নাম ধরেও ডাকি আপু বলেও ডাকি তুই তো এমনি বলি ?)
–তোর না আমি বড়ো৷
–হি হি তো কিসে হুম
–আচ্ছা শুন দেখ কাল,
–আ আ এখন না বাদ দে আমি ভুলে গেছি সব৷
–তুই তো এতো জলদি সব ভুলে জেতে পারিস না৷
–আরে
–কি রে ভাইয়া কি করে মানালো বল তো।
–ধুর তুমিও না৷
–ওরে বাবা মেয়ে আবার ব্লাস করে দেখি৷
–বড়ো আমি কথা বলবো না কিন্তু।
–তাই দেখি কি কে না বলবে৷
শুরু হলো দুই বনের বজ্জাতি পনা৷

এভাবে হাসিখুশি তে কেটে গেল প্রায় ১ মাস৷
আনন্দে ভর পুর৷ এ পরিবার৷
মেঘ ? আমান এর মধ্যে ভালোবাসা আরো গভীর হইছে।
তোবা ? আহম্মেদ ও শুখে আছে৷
তদের মায়ের শুধু একটাই প্রর্থনা ওরা যেন এভাবে শুখি থাকে৷
সব কিছুই ঠিক চলছে,
এমনি এক দিন
সকালে,
পাখির কিচিরমিচির ডাকে চারি দিকে পরিপূর্ণ। সকালের সূর্য উদয় হইছে মাত্র।
মেঘ নামাজ পরা শেষ করে জায়নামাজ রেখতে পাশে ফিরতে হটাৎ পরে যেতে নিলো৷
আমান দৌড়ে ধরে বসে,
–মেঘ কি হলো৷
–জানি না ভালো লাগছে না৷
আমান অস্থির হয়ে মেঘকে শুইয়ে দেয়৷
ওদিকে একি সময় তোবাও অসুস্থ হয়ে পড়েছে৷
চাঁদনি খান (আমান আহম্মেদ এর মা)
চিন্তায় পড়ে গেছেন৷
কিছু সময় পর ডক্টর এসে যা শুনালেন তাতে অবাক হলেও সত্যি৷
দুই বোনই মা হতে চলেছে।
বাড়িতে আনন্দ মিছিল হচ্ছে।
কিন্তু সব খুশির মধ্যে আমানের মনে কোথাও ভয় স্পষ্ট।
সেটা বুঝতে পারেন চাঁদনি খান৷ তার অগোচরে কিছু নাই৷
–চিন্তা করো না সব সমস্যার সমাধান হবে৷
–কিন্তু মা৷
–কোন কিন্তু না আরে ভাই বাসায় দুই দুটো মেহমান আসতে চলেছে মিস্টির আয়োজন কর৷ ।

মায়ের কথা শুনে সারা পারায় মিস্টি বিতরন করলো আমান আর আহম্মেদ।
এদিকে দুই মেয়ের এ খবর শুনে চলে এসেছেন রায়হান আজিজ আর রেহানা বেগম৷ মেঘ তোবার মা বাবা৷
বাড়িটা আজ পরিপূর্ণ খুশিতে৷
সবার হাসি ঠাট্টায় মেতেছে আজ খান বাড়ি৷
ইট গুলো যেন বুঝতে পারছে নতুন মেহমান আসবে।

কিন্তু এতো শুখ আদও কি কপালে আছে৷
?
সেটাই দেখার পালা।
চলবে,