#LoVe_Effect
#writer : Sintiha Eva
#part : 04
🍁🍁🍁
মাহিরঃ বান্ধবী দের নিয়ে এভাবে রাক্ষসের মতো খেলে আর এখন টাকা দেওয়ার সময় তালবাহানা করছো এই নাও বিল এবার পেমেন্ট করো কুইক ( বিলের কাগজ দিয়ে)
শ্রাবনী মাহিরের কাছ থেকে কাগজ নিয়ে টাকার অংক দেখে মাথা ঘুরে যায় বড় বড় করে লেখা আছে ১০০০০ হাজার। শ্রাবণী পাশের চেয়ারে ধপ করে বসে পড়ে নীর শ্রাবনীর কাছ থেকে বিলের কাগজ নিয়ে বিল দেখে ইভাদের দিকে তাকায়
নীরঃ ক্যান্টিনের কিছু বাদ রাখিস নি তো আবার গিয়ে দেখ বাদ থাকলে ওই গুলো ও খেয়ে আয়
শ্রাবনীঃ পুরো মাসেও আমার এতো টাকা খরচ হয় না তোরা একদিনে আমার ১০০০০ হাজার টাকা খেয়ে নিলি
মাহিরঃ হয়েছে অনেক নেকামো এখন টাকা দাও আর হুমমম ক্রেডিট কার্ডে পেমেন্ট করা যাবে না ক্যাশ লাগে আশা করি এটা জানো
শ্রাবনীঃ আপনি আপনার ওই হনুমান মার্কা মুখ টা একটু অফ রাখুন ছাগলের মতো ভ্যা ভ্যা অফ করে আর ভার্সিটির নিয়ম আমাকে শেখাতে হবে না ( দাঁতে দাঁত চেপে)
মাহিরঃ যাক বাবা আমি কি করলাম ওকে যাও আমি চুপপ ( ঠোঁটে আঙ্গুল দিয়ে)
নীরঃ শ্রাবনী এখন কি করবি এতোগুলো টাকা ক্যাশ পাবো কিভাবে তাও এখন
শ্রাবনীঃ আমি ও বুঝতে পারছি না বাট আম ডেম সিউর আমাকে ফাঁসানোর জন্য ওই হনুমান এই কাজ টা করেছে দেখ কেমন মিটিমিটি হাসছে ইচ্ছে করছে দাঁত গুলো ভেঙে ইঁদুর কে খাইয়ে দেয়
নীরঃ তখন এই সারপ্রাইজের কথায় বলেছিলো মনে হয় তাই না
শ্রাবনীঃ হয়তো বাট এখন কি করবো
ইভাঃ উই আর সরি রে আমরা বুঝতে পারিনি দপ্তরি আঙ্কেল বললো আজ নাকি তুই ক্লাস পার্টি দিয়েছিস আর তাই আমরা
নীরঃ ইট’স ওকে বাদ দে এই শ্রাবনী কিছু একটা কর
শ্রাবনীঃ আমার কাছে ক্যাশ আছে মাত্র ৮০০ টাকা আরো নয় হাজার দুইশ লাগবে
নীরঃ আমার কাছে আছে এক হাজার আর নেই বাড়িতে সব
শ্রাবনীঃ এখন কি হবে রে বেস্টু
ওয়েটারঃ আপু টাকা টা তাড়াতাড়ি দেন আমাদের তো ক্যান্টিন খালি করতে হবে
শ্রাবনীঃ দিচ্ছি তো একটু ওয়েট করুন না বেস্টু কোনো আইডিয়া বের কর
নীর কিছুক্ষণ ভেবে মুচকি হেসে শ্রাবণী কে বলে,,,
নীরঃ শ্রাবণী আইডিয়া
শ্রাবনীঃ কি বল বল তাড়াতাড়ি
নীরঃ তুই তোর ছোড়দা কে কল দে আর বল তোর দশ হাজার টাকা দরকার তাহলেই তো মুশকিল মিটে গেলো
শ্রাবনীঃ না না ছোড়দা যদি জিজ্ঞেস করে এতো টাকা দিয়ে কি করবো তখন কি বলবো
নীরঃ আরে কিছু একটা বলে দিবি তুই তো মিথ্যে বলতে এক্সপার্ট
শ্রাবনীঃ অপমান করছিস
নীরঃ আরে না এখন ফোন দে
শ্রাবনীঃ না তুই দে
নীরঃ আ আমি তাও তোর ওই হিটলার ভাইকে ইম্পসিবল
শ্রাবনীঃ বেস্টু বেস্টু প্লিজ হেল্প মি আমার জান্টুস প্লিজজজ
নীরঃ ও ওকে দিচ্ছি এতো পাম দিস না
সায়ন মিটিং শেষে সবেমাত্র নিজের কেবিনে এসে বসে এসির পাওয়ার বাড়িয়ে চেয়ারে মাথা হেলায় তখনই টেবিলে থাকা ফোন টা নাচতে শুরু করে সায়ন বিরক্তি তে ‘চ’ উচ্চারণ করে ফোন হাতে নেয় ফোনের স্কিনে ‘রাগিনী’ নাম টা দেখে সায়নের ভ্রু কুঁচকে আসে সায়ন বেশি কিছু না ভেবে ফোন রিসিভ করে।
সায়নঃ হুমম বলো
নীরঃ সা সায়ন ভাইয়া আ আমি ন নীর
সায়নঃ হুমম বুঝলাম বাট এভাবে তোতলাচ্ছো কেনো আমি কি বাঘ নাকি ভাল্লুজ
নীরঃ তার থেকেও বেশি কিছু সিংহ ( বিড়বিড় করে)
সায়নঃ কিছু বললে
নীরঃ কক কই না তো
সায়নঃ কেনো ফোন দিলে এটা বলো
নীরঃ এই নেন বেস্টুর সাথে কথা বলুন নে
শ্রাবনীঃ হ্যালো ছোড়দা
সায়নঃ হুমম বনু বল কি হয়েছে এনি প্রবলেম কেউ কিছু বলেছে তোকে
শ্রাবনীঃ না ভাইয়া আমার কিছু টাকা লাগবে দিতে পারবি
সায়নঃ কত লাগবে বল
শ্রাবনীঃ আসলে
সায়নঃ আসলে নকলে না করে বলে দে
শ্রাবনীঃ আমার দশ হাজার টাকা লাগবে দিবি
সায়নঃ ঠিক আছে আমি আমার এসিস্ট্যান্ট সিয়াম কে দিয়ে পাঠাচ্ছি তুই গেটের সামনে থেকে এসে নিয়ে যাস
শ্রাবনীঃ কেনো লাগবে জিজ্ঞেস করলি না
সায়নঃ জিজ্ঞেস করার কি আছে আমি জানি আমার বোন কখনো খারাপ কিছু করবে না সেই বিশ্বাস আছে
শ্রাবনীঃ Tnx u tnxu tnx u লাভ ইউ ছোড়দা
সায়নঃ লাভ ইউ টু বনু আচ্ছা আমি এখন রাখছি আর দশ মিনিটে টাকা পাঠাচ্ছি
শ্রাবনীঃ ওকে বাই টেক কেয়ার ভাইয়া
সায়নঃ সেইম
শ্রাবনীঃ ওয়েটার ভাইয়া দশ টা মিনিট ওয়েট করেন আমি দশ মিনিট পর টাকা দিয়ে দিচ্ছি
ওয়েটারঃ ঠিক আছে
শ্রাবনী মাহিরের কাছে গিয়ে রাগান্বিত সুরে বলে
শ্রাবনীঃ আমার পেছনে লাগার ফল আপনি হারে হারে পাবেন জাস্ট ওয়েট এন্ড সি আমি কি কি করি
মাহিরঃ ঠিক আছে গো আমি ও দেখবো
দশ মিনিট পর সিয়াম আসলে শ্রাবণী টাকা নিয়ে ওয়েটার কে দিয়ে ক্লাসে চলে আসে মাহির ও বিজয়ী হেসে চলে যায়।
কলেজ শেষে মাহির নিজের বাইক এসে স্টার্ট দিলে হাতে আঁটালো জাতীয় কিছু লাগায় মাহির হাত সরিয়ে নেয় সঙ্গে সঙ্গে সুতোর মতো সুইংগাম মাহিরের হাতে লেগে পড়ে। মাহির হাতে সুইংগাম দেখে নাক ছিটকে বলে,,,,
মাহিরঃ ইয়াক ছিহ বাইকে সুইং গাম লাগালো কে
শুভঃ আমরা কিভাবে জানবো
শ্রাবনীঃ ছিহ ভাইয়া এতো বড় ছেলে হয়ে ও হাত মুখ মেখে সুইং গাম খাচ্ছেন ছিহহ
শ্রাবনীর কথায় মাহির চোখ পাকিয়ে শ্রাবনীর দিকে তাকায় শ্রাবণীর ঠোঁটের কোণে বিজয়ী হাসি দেখে মাহিরের বুঝতে বেগ পেতে হলো না এটা কার কাজ।
মাহিরঃ এটা কি করলে তুমি
শ্রাবনীঃ বালাইষাট আমি কি করলাম আমি তো পুচকি একটা মেয়ে
মাহিরঃ নিজেকে খুব স্মার্ট ভাবো তাই না
শ্রাবনীঃ নাহ ভাইয়া স্মার্ট কে কেনো ভাববো আর আমি কি কম স্মার্ট যে ওভার স্মার্ট গিরি দেখাবো
মাহিরঃ তোমাকে তো আমি
শ্রাবনীঃ কি করবেন ভাইয়া
শ্রাবনীর কথায় মাহির ভ্রু কুঁচকে শ্রাবনীর দিকে তাকায় হঠাৎ শ্রাবনীর কথায় এমন নতুনত্ব আসছে কোথা থেকে মাহির মনে মনে শ্রাবনীর বলা কথাটা আবার রিপিড করে কিছুক্ষণ পর বুঝতে পেরে মাহির বিষম খায় শ্রাবনী মাহির আপনি ডাকছে তুই থেকে ডিরেক্টলি আপনি হাউ পসিবল। মাহির কে এভাবে শুকনো বিষম খেতে দেখে শুভ আদিত্য মাহিরের পিঠ চাপড়াতে শুরু করে নীর নিজের ব্যাগ থেকে ওয়াটার পট বের করে মাহিরের দিকে পানি এগিয়ে দেয় মাহির নীরের কাছ থেকে পানি নিয়ে ঢকঢক করে পুরো বোতল শেষ করে নীরের হাতে খালি পট দিয়ে দেয় নীর খালি পটের দিকে অসহায় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।
মাহিরঃ ভাই শুভ আজ মনে হয় সূর্য টা উত্তর দিকে অস্ত যাচ্ছে
নীরঃ কিহহ সূর্য উত্তর দিকে অস্ত যায় কিভাবে ( বোকা বোকা চোখে)
আদিত্যঃ পাগল হলি নাকি ভাই হুট করে শুকনো বিষম খেলি এখন আবার কি আবোলতাবোল বকছিস
শ্রাবনীঃ কিছু হয়েছে ভাইয়য়া
মাহিরঃ তুমি এভাবে রঙ পাল্টাও কিভাবে ক্ষনিকের মধ্যে
শ্রাবনীঃ দিলেন তো মাথা টা বিগড়ে এতোক্ষণ ভালো বিহেভ করছিলাম ভালো লাগে না আবার তুই-তুকারি করলে রিডার্স আমার বিহেভিয়ার খারাপ বলে কেউ তো আর দেখে না আপনি কেমন হুহ
মাহিরঃ যে যেমন তাকে তো তেমনই ভাববে তাই না এখন বলো বাইকে সুইনগাম লাগালে কেনো
শ্রাবনীঃ সবে তো শুরু পিকচার আভি বাকি হে সকালে যা করেছেন যেভাবে আমাকে অপদস্ত করেছেন তার প্রতিটা জবাব যদি আপনাকে আমি না দেয় আমার নাম শ্রাবণী না মাইন্ড ইট চল বেস্টু
শ্রাবনী নীরকে টেনে নিয়ে যেতে শুরু করে হঠাৎ নীরের ওড়নায় টান লাগায় নীর গলার কাছ টায় ওড়না খামছে ধরে দাঁড়িয়ে পড়ে নীরকে দাঁড়িয়ে যেতে দেখে শ্রাবণী বিরক্তি নিয়ে বলে,,,
শ্রাবনীঃ কি হলো হাঁটতে হাঁটতে দাঁড়িয়ে গেলি কেনো
নীরঃ আমার ওড়না ( কাচুমাচু হয়ে)
শ্রাবনীঃ গলার কাছ টায় এভাবে ধরে রেখেছিস কেনো আর ওড়না কি হয়েছে গায়েই তো আছে
নীরঃ এই টিউবলাইট কে কিছু বলা মানে মান-ইজ্জতের রফাদফা করা আমি কি আস্তে বললাম আর এটা মাইকের গলা বাজিয়ে দিয়েছে ( বিড়বিড় করে)
শ্রাবনীঃ কি রে চল
নীরঃ উফফস তোর লেট হলে যা বলছি তো আমার ওড়না টা কোথাও আটকে গেছে
মাহিরঃ ধ্যাত আজ আর বাইকে যাওয়া হলো না চল হেঁটে যায়
শুভঃ হুমম চল
মাহির, আদিত্য আর শুভ কথা বলতে বলতে হাঁটতে শুরু করে হঠাৎ শুভর হাতের ঘড়িতে টান পড়ে। নীরের ওড়নায় টান পড়ায় নীর হালকা চেঁচিয়ে বলে,,,
নীরঃ এই আমার ওড়না
শুভ হাতের দিকে তাকিয়ে দেখে ওড়না বেজে আছে নীর ও পেছনে তাকিয়ে শুভ’র ঘড়িতে ওড়না আটকে থাকতে দেখে মুখটা বেলুনের মতো চুপসে ফেলে। মাহির&আদিত্য, শ্রাবনী হা করে নীর আর শুভ’র দিকে তাকিয়ে আছে শুভ নীরের দিকে একবার তাকিয়ে অপ্রতিভ হয়ে পড়ে দুজনই অস্বস্তি তে পড়ে যায় শুভ দ্রুত নিজের ঘড়ি থেকে নীরের ওড়না ছাড়াতে শুরু করে শুভ’কে নিজের ওড়না নিয়ে এভাবে মোচড়ামুচড়ি করতে দেখে নীর কিছুটা রেগে যায় কি ছেলে সামান্য একটা ওড়না ঘড়ি থেকে ছুটাতে পারছে না। শেষমেশ নিরুপায় হয়ে নীর এগিয়ে গিয়ে শুভর হাত ঝাড়ি দিয়ে সরিয়ে নিজে খুলতে শুরু করে শুভ হা করে নীরের দিকে তাকিয়ে আছে নীর নিজের ওড়না ছাড়িয়ে দাঁত কিড়মিড় করে বলে,,,
নীরঃ সামান্য একটা ওড়না ঘড়ি থেকে ছুটাতে এতো টাইম নিলে বিয়ের দিন দেখবেন আপনাকে ফেলে আত্নীয় রাই বিয়ে বাড়ি চলে যাবে আর আপনি বর হয়ে বসে বসে আঙ্গুল চুসবেন
আদিত্যঃ হায় মে মার যাবা ওয়াট এ সিন দেখলাম ভাই একদিকে ঝগড়া একদিলে রোমান্টিক নাইস ব্রো তোরাই চালিয়ে যা আমিই না হয় দেখে গেলাম
আদিত্যর কথায় মাহির শ্রাবনীর দিকে তাকায় শ্রাবনী ভেংচি কেটে অন্য দিকে তাকিয়ে পড়ে মাহির বিরক্তি নিয়ে বিড়বিড় করতে শুরু করে। শুভ চোখ গরম করে আদিত্যর দিকে তাকায় মুহুর্তেই আদিত্যর মুখ টা ফ্যাকাসে হয়ে যায় নীর অপ্রতিভ হয়ে শ্রাবনীর হাত ধরে দ্রুত চলে যায় শুভ আদিত্যর পিঠে ধরাম করে এক কিল মেরে বকতে বকতে চলে যায়।
শ্রাবনীঃ আমি একটু বড়লোক হয়ে নেয় ছোড়দা তোর দশ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেবো চিন্তা করিস না
খাওয়ার মাঝে হঠাৎ শ্রাবনীর কথা শুনে সায়নের গলায় খাবার আটকে বিষম খেয়ে যায় অভিরা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে শ্রাবনীর দিকে তাকায় সায়নকে বিষম খেতে দেখে শ্রাবণী তাড়াতাড়ি সায়নের সামনে পানি ধরে সায়ন পানির গ্লাস নিয়ে ঢকঢক করে পুরো টা পানি শেষ করে গ্লাস টেবিলে রাখে। শ্রাবনীর মা দাঁত কিড়মিড় করে বলে,,,
শ্রাবনীর মাঃ খাওয়ার মাঝে হঠাৎ এমন কথা বললে যে কেউ বিষম খাবে আর তুই কি গরীব নাকি এখন
শ্রাবনীঃ আহা বুঝতে পারছো না এখন তো বাপ-ভাইয়ের টা খাচ্ছি কিন্তু আমার ভাইয়ের ছেলে-মেয়েদের ও তো ভবিষ্যত আছে নাকি সব টাকা আমার পেছনে খরব করে দিলে ওদের কি হবে বলো তাই আমি পড়াশোনা করে যখন ইনকাম করবো ছোড়দার টাকা টা ফেরত দিয়ে দেবো
ছোড়দাঃ অনেক পাকনামি করেছিস আর বড় হতে হবে না
শ্রাবনীঃ আমি তো বড়ই
অভিঃ হুমম অনেক বড় হয়ে গেছিস তুই এখন হা কর আর এসব চিন্তা বাদ দে
শ্রাবনীঃ কিন্তু
আয়াতঃ ছুটকি চুপ করে খা বলছি
শ্রাবনীঃ ওকে রেগে যাচ্ছো কেনো 😒
______________________
সূর্যের আলো রুমে প্রবেশ করতেই শ্রাবণী আড়মোড়া ভেঙে ঘুম থেকে উঠে ওয়াশরুমে চলে যায় কিছুক্ষণ পর ফ্রেশ হয়ে এসে বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়াতেই সকালে স্নিগ্ধ নির্মল বাতাস এসে শ্রাবণীর সর্বাঙ্গে আছড়ে পড়ে শীতল হাওয়ার স্পর্শে শ্রাবণী আবেশে চোখজোড়া বন্ধ করে নেয়। পরনের জামা বাতাসে উড়ছে এলোমেলো খোলা চুল বাতাসের বেগে আছড়ে এসে চোখ-মুখে বিঁধছে পরিবেশ টা শ্রাবনীর কাছে মন্দ লাগছে না। সূর্যের তাপের উপস্থিতি এবং বাতাসের অনুপস্থিতি উপলব্ধি করে শ্রাবণী চোখ জোড়া খুলে নেয় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে সামনের সরু রাস্তায় সঙ্গে সঙ্গে শ্রাবণীর চক্ষু চড়কগাছ শ্রাবণী চোখ কঁচলে আবার থাকায় না ও ঠিক দেখছে শ্রাবণী দৌড়ে নিচে যায় কিচেনে ওর মা-ভাবী কাজ করছে সায়ন’রা এখনো নিচে নামেনি শ্রাবনী সদর দরজার দিকে তাকায়। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির দর্শন হতেই শ্রাবণীর চোখ-মুখ বিরক্তিতে ছেয়ে যায় এই মুহুর্তে শ্যামবর্ণা রমণীর মুখশ্রী দেখে যে কেউ অনায়াসে বলে দেবে উপস্থিত ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত আগমনে সে বেজায় বিরক্ত।
( কে আসতে পারে এটা আমার গেরাইজরা বলো তো দেখি কার টা ঠিক হয় )
চলবে,,,,,,,
(ভুলক্রটি ক্ষমা মার্জনীয়)