Home "ধারাবাহিক গল্প "দৃষ্টির অন্তরালে নিস্তব্ধতা দৃষ্টির অন্তরালে নিস্তব্ধতা পর্ব-০৪

দৃষ্টির অন্তরালে নিস্তব্ধতা পর্ব-০৪

0
10

#দৃষ্টির_অন্তরালে_নিস্তব্ধতা
#লেখনী_মায়মুনা_আক্তার_মারিয়া
#পর্ব :৪

এখন প্রায় মধ্যরাত চৌধুরী নিবাসের সকল সদস্য ঘুমে বিভোর।পুরো নিবাসে এক ফোঁটাও আলো নেই অন্ধকারে কিচ্ছু দেখা যাচ্ছে না। এমন ঘুটঘুটে অন্ধকারে পা টিপে টিপে এক জোড়া পা দু’তলার করিডর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। রোদসীর ঘরের সামনে গিয়ে দাড়ালো।আস্তে আস্তে দরজা খুললো যাতে কোনো শব্দ না হয়।রোদসী ঘুমাচ্ছে। রোদসীর পাশে গিয়ে বসলো সিজান।তার রোদের ওপর উপুর হয়ে দেখলো গভীর ঘুমে তার ঘুম পরী।
তার মন সায় দিলো না ঘুম ভাঙাতে কিন্তু কী করার সুযোগ পেয়েছে এখন তো হাত ছাড়া করা যাবে না।
যা জ্বালান জ্বালায় এই মেয়েটা!সিজান রোদসীর এক হাত টেনে হাতে চুমু খেলো তারপর ডাকলো
-“রোদ,জান আমার।”

রোদসী চোখ মেলে তাকালো।এক ডাকেই এই মেয়ের ঘুম হারাম।যতো গভীর ঘুমেই থাকুক না কেনো এই মেয়ে,এক ডাকেই এর ঘুম হারাম হয়ে যায়।ডিম লাইটের আলোয় সিজানের মুখ ভেসে উঠলো।সিজানকে দেখে রোদসী লাফ দিয়ে উঠে বসলো।

-“তু..তুমি”

-“হুম আমি জান”

রোদসী রাগান্বিত স্বরে বললো,
-“এতো রাতে কেনো?এখুনি যাও।”

-“যাওয়ার জন্য তো আসিনি জান”

-“কী চাই?”

-“একটা কিস”

রোদসী অগ্নি দৃষ্টিতে তাকালো। সিজান রোদসীকে জড়িয়ে ধরে আবার বললো,
-“একটাই তো দে না জান।হাজার রোগীর ডাক্তার আমি হলেও আমার মনের ডাক্তার তো তুই।”

সিজান কথা শেষ করেই রোদসীকে কোনো কথার সুযোগ না দিয়ে তার রোদের ওষ্ঠাধর ছুঁইয়ে দিলো।কয়েক মিনিট পর তাকে ছাড়লো।
-“তুমি অসভ্য”
-“সবার কাছে সভ্য হলেও তোর কাছে অসভ্য হয়ে থাকতে চাই রোদ।”
রোদসী ধাক্কা দিয়ে সিজানকে সরিয়ে দিলো।

প্রতিদিনের মতো আজও সকালে চৌধুরী নিবাসের তিন গিন্নি সকালের নাস্তা বানিয়ে হাঁক দিচ্ছে সবইকে নাস্তা করার জন্য।বাড়ির তিন কর্তা উপস্থিত হলেও বাকিদের কোনো খবর নেই।কিছুক্ষন পর নিচে নামলো নিশাত,রোদসী,সিজান,ফারাজ ও উৎস।কিন্তু দুষ্টু দুইটা নিচে নামেনি।মরার মতো ঘুমাচ্ছে।সুফিয়া গলা ফাটিয়ে ডাকছে কিন্তু দুইটার একটারও দেখা নাই আর না কোনো জবাব দিচ্ছে এতো ডাকের।
সুফিয়া বিরক্ত হয়ে বললো,
-“আমার হয়েছে যতো জ্বালা।এক মেয়ে লক্ষী আরেক মেয়ে হয়েছে”

-“থামো মেজো মা। আমি ডেকে আনছি।”

উৎস সুফিয়াকে থামিয়ে দিলো যাতে মেহেককে কিছু না বলতে পারে।উৎস উঠে গেলো মেহেকের ঘরে।কোনো টোকা বা ডাক না দিয়ে ধুঁকে পড়লো।
মেহেক কোলবালিশ আঁশটে পিষত জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে তবে গায়ে ওড়না নেই।ওড়না বিছানার এক পাশে পড়ে আছে।উৎস মেহেকের থেকে দৃষ্টি সড়িয়ে নিয়ে গলা ঝাকিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বললো,
-“মেহেক”

মেহেকের কোনো তাল নেই সে গভীর নিদ্রায়।উৎস আবার ডাকলো
-“মেহেক দ্রুত উঠ নাহলে তোর খবর আছে আজ।”

মেহেক ঘুমের মধ্যেই আওড়ালো
-“এই শীতের মধ্যে আমি উঠতে পারবো না খুব ঠান্ডা লাগছে।”

-“তাহলে তো ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে”
মেহেকের বোধগম্য হলো তাকে কেউ কিছু বলছে তাই সে পিটপিট করে চোখের পাতা খুললো।

চোখের সামনে স্বয়ং উৎসকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হতবাক হয়ে যায় মেহেক।কম্বল দিয়ে তার গলা অব্দি ধেকে নেয় দ্রুত গতিতে।আপাতত ওড়নার কাজ হয়ে গেলো কিন্তু উৎস ভাই ডাকতে এসেছে মানে তার মা হয়তো দশবার ডেকে না উঠাতে পেরে তাকেই পাঠিয়েছে।মা তো নয় জেনো খালা ঘষেটি বেগম!মেহেক ঠোঁট উল্টে ভোলাভালা মুখ বানিয়ে উৎস দিকে তাকিয়ে আছে।উৎসের গায়ে জেকেট আর গলায় পেঁচানো মাপলাড়,সুঠাম শক্তপোক্ত দেহের কাছে মেহেক খুবই নগন্য।উৎস পকেটে হাত দিয়ে টান হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দেখলে মনে হবে তার গায়ে ঠান্ডা স্পর্শ করছেই না।
উৎস কপাল কুচক্রে মেহেকের দিকে তাকালো।
-“অনেক ঠান্ডা লাগছে?”

-“হুম উৎস ভাই।”

-“দুই মিনিট সময় দিলাম এর মধ্যে ডাইনিং টেবিলে তোকে দেখতে চাই না হলে এর ফল ভালো হবে না।”

-“আমি কোনো গাছ না যে ফল ভালো হতে হবে।”

উৎস তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাতেই মেহেক লাফ দিয়ে ওড়না পেচিয়ে ওয়াশরুমে দৌড় দিলো।উৎসও নিচে চলে গেলো।দুই মিনিটের মধ্যেই হন্তদন্ত হয়ে মেহেক এসে বসলো।তার গায়ে লেডিস জ্যাকেট,চাদর পেচানো শরীরে, পায়ে মোজা তারপরও শীতে কনকন করে কাঁপছে মেহেক।
সবাই নাস্তা খাওয়ায় ব্যস্ত হলে শাহাদাত চৌধুরী তার ছোট ছেলের উদ্দেশ্য করে বললো,
-“কবে থেকে অফিসে জয়েন হচ্ছো?”

উৎস কোনো দ্বিধা ছাড়াই বললো,
-“অফিসে জয়েন হবো এমন তো কিছু আমি বলিনি।”
সকল সদস্য উৎসের দিকে তাকালো।

সাফওয়ান চৌধুরী বললো,
-“উৎস তোমার বাবা তো চায় তুমি তার ব্যবসায় জড়িত হও।”

-“তাহলে তাকে এই কাজ থেকে সড়ে আসতে বলো।”

-“আমি সড়ে আসবো মানে?”

-“মানে হলো তোমার বয়স হয়েছে তুমি অফিস যাওয়া বন্ধ করলে আমি অফিসের কাজে হস্তক্ষেপ করবো এর ব্যতিত না।যদি না করো আমি আলাদা বিজনেস করবো।”

-“উৎস!”
শাহাদাত চৌধুরী বয়স হলেও তিনি তার কাজ নিয়ে
খুবই সিরিয়াস।কাজ ছাড়া কিছু বুঝে না।বাবার ব্যবসাকে তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে বাকি দুই ভাই তাদের ক্যারিয়ার তাদের ইচ্ছা মতো গড়ে নিয়েছে।শাহাদাত চৌধুরী ইচ্ছে তার দুই ছেলের এক ছেলে এই ব্যবসার দায়িত্ব নিবে।এক এক করে প্রতি প্রজন্ম এই ব্যবসা নিয়ে এগোবে।বড় ছেলে ফারাজ রাজনীতিতে জড়ালে তিনি ভাবেন উৎস দেশে ফিরলে তার কাঁধে দায়িত্ব দিবেন কিন্তু যতদিন বেঁচে থাকবে তিনি ব্যবসা থেকে সড়বেন না।আর উৎসর এই ব্যবসায় জড়াতে কোনো আপত্তি নেই তবে তার বাবাকে বাসায় থাকতে হবে,বয়স হয়েছে বিশ্রাম নিবে।

-“উৎস তো ঠিকি বলেছে আব্বু।আমরা থাকতে তুমি কেনো অফিসে দৌঁড়াবে!”

ফারাজের কথায় মালিহাও সম্মত দিলো।
-“আপনি বাসায় থাকুন উৎস সব সামলে নিবে।”

-“এটা সামলানোর বিষয় না ওর কাজ বুঝতেও তো সময় লাগবে।”

-“সেটা তোমার ভাবতে হবে না আমি পারবো।”

-“তোমার উপর আমার আস্থা আছে তবুও কয়েক মাস না হয়”

-“ওকে অনলি চার মাস”

————-

নিশাতের রুমের বারান্দায় পায়চারী করছে আর কিছুক্ষন পরপর বাড়ির গেইটের দিকে উঁকিঝুকি দিচ্ছে মেহেক। নিশাত আর উৎসের রুমে শুধু বারান্দা আছে আর এই দুইটা বারান্দা দিয়েই গেট দেখা যায়।হঠাৎ বাড়ির গেইটের সামনে একটা বাইক এসে থামলো।বাইকের ছেলেটাকে দেখে বোঝা যাচ্ছে ডেলিভারি বয় এসেছে তাই দাড়োয়ান চাচা ঢুকতে দিলো।মেহেক ডেলিভারি বয়কে ঢুকতে দেখে খুশিতে লাফাতে লাগলো।
কলিং বেল বজার শব্দ পেতেই ধরফড়িয়ে রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো মালিহা।সদর দরজা খুলতেই মালিহা খানের দৃষ্টি গেলো ছেলেটার হাতের দিকে।
-“মেম একটা পার্সেল এসেছিলো।”

-“পার্সেল!কে অর্ডার দিয়েছে?”

-“জ্বি ,শেহরোজা চৌধুরী মেহেক নামে।”
মালিহা খানের বোধগম্য হলো মেহেক আবার কিছু একটা অর্ডার দিয়েছে।
-“একটু দাঁড়ান আমি টাকা নিয়ে আসছি।কতো টাকা?”

-“এক হাজার দুশো নিরানব্বই টাকা।”
মালিহা তার রুমে গিয়ে টাকা নিয়ে আসলো।ছেলেটার হাতে দেওয়ার জন্য হাত বাড়ালেই উৎস গলার আওয়াজ ভেসে আসে
-“আম্মু দাঁড়াও।”

উৎস তার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছল সাদিফের সাথে বাইক নিয়ে ডেলিভারি ম্যানকে ঢুকতে দেখে কিন্তু তারপরেই তার চোখ যায় নিশাতের বারান্দার দিকে মেহেক লাফাতে লাফাতে চলে গেলো সে উৎসকে খেয়াল করেনি।উৎস ধরে নিলো এই মেয়ে কিছু অর্ডার দিয়েছে তাই সে নিচে আসলো।
মেহেক এতোক্ষন লুকিয়ে দেখছিলো সব কিন্তু উৎসের গলার স্বর পেয়ে ওর দিকে তাকায়।উৎস তার দিকেই তাকিয়ে আছে মেহেক সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বোকা হাসি দিলো।
-“এদিকে আয়।”

-“আমি”

-“না তোর ভূত”

-“থাক না উৎস আমি দিয়ে দেই।”

-“না আম্মু।”

মেহেক এসে দাঁড়ালো।মাথা নিচু করে রেখেছে।
-“কী অর্ডার দিয়েছিস?”

মেহেক করুণ স্বরে বললো,
-“ওভারকোট।”

-“তোর নাই?”

-“আছে কিন্তু পুরনো।”

রান্না ঘর থেকে সুফিয়া এসে বললো,
-“পুরনো না! কয়টা গায়ে পড়লে বুঝবি পুরনো কি না।কিছুদিন আগেই তো তোর বাবা এনে দিয়েছে।”

-“ওইটা আমার পছন্দ হয়নি।”

-“তখন বলতি পাল্টিয়ে এনে দিতাম।”

মেহেক চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। উৎস মেহেককে জিজ্ঞেস করলো
-“প্রাইজ কতো”

-“এক হাজার দুশো নিরানব্বই টাকা মাএ”
-“মাএ যেহেতু তাহলে তুই দে”

-“আমার কাছে তো পাঁচ টাকার কয়েন আছে আর এক টাকাও নেই।”
মালিহা মেহেকের কথা শুনে হেসে দিলো।
উৎস মেহেকের দিকে একবার তাকিয়ে তার পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে ডেলিভারি বয়কে দিয়ে দিলো।মালিহা সুফিয়াকে নিয়ে রান্না ঘরে চলে গেলো এখানে তাকলেই মেয়েটাকে বকতে থাকবে।
মেহেক প্যাকেট খুলে ওভারকোটটা গায়ে পড়ে নিলো।মেরুন কালার এর ইউনিক ডিজাইনের ওভারকোটটা মেহেককে বেশ মানিয়েছে।
-“উৎস ভাই আমাকে কেমন লাগছে।”

উৎস মেহেকের চুল থেকে পা অব্দি একবার পরখ করে মিহি স্বরে সুধালো
-“নাইস”

উৎস ভাই নাইস বলেছে!তার মানে তাকে খুবই সুন্দর লাগছে।কয়েকটা ছবি তো তোলাই যায় কিন্তু কে তুলে দিবে ভাবতে ভাবতে মেহেক উৎসের দিকে তাকালো। তাকে তাকাতে দেখে উৎস ভ্রু নাচালো।
-“একটা হ্যাল্প করবে”

-“কী?”

-“আগে ছাদে চলো”

-“আগে আপনি করে বল”

-“আপনি কেমন যেনো লাগে”

-“কেমন লাগে?”

-“এটা তো বউ স্বামীকে বলে আমি তো তোমার বউ না।”

-“তো হয়ে যা।”

-“কী!”

উৎস গম্ভীর কন্ঠে বললো,
-“আপনি করে বলবি”

-“হুম চলুন”

*****

-“বল কি হ্যাল্প করতে হবে?”

-“ইয়ে মানে”

-“বল”

-“আসলে”

-“আমতা আমতা না করে বল”

-“তো..না আপনার ফোন তো আইফোন আমাকে তো সুন্দর লাগছে কয়েকটা ছবি তুলে দেন না।”

উৎস মেহেকের দিকে তাকালে মেহেক আবার বললো,
-“প্লিজ”

-“পোস নে”

-“ডিম পোস খাবেন পরে খান আগে ছবি তুলে দেন।”

-“গাধী সুন্দর করে দাঁড়াতে বলেছি। ডিম পোস খেতে চাইনি খেলে তো অন্য কিছু খাবো।”

-“কী খাবেন?”

-“নিচে চলে জাবো।”

-“এই না না নেন দাঁড়ালাম তুলেন। সুন্দর জেনো হয়।”

মেহেক রোদসীর ফুল গাছের সাথে অসংখ্য ছবি তুলে কিন্তু চন্দ্রমল্লিকা লাল ফুলের সাথে ঠান্ডায় মেহেকের গাল নাক লাল হয়ে গেছে তাদের মধ্যে কোনো তফাৎ রইল না।মনে মনে উৎস মেহেকের নাম দিয়ে দিলো চন্দ্রমল্লিকা ফুলের রানি।
-“অনেক তুলেছি এবার নিচে যা।”

-“আরেকটা উৎস ভাই আমি পিছন ঘুরে দাঁড়াবো আর আপনি আমার পিছনের ছবি তুলবেন।”
উৎস ভ্রু কুচক্রে তাকালো কিন্তু মেহেকের বায়নায় তুলে দিতে বাধ্য হলো।

ছবি তোলার শেষে মেহেক নিচে গিয়ে সব ছবি উৎস থেকে নেয়।সেখান থেকে তার পিছন থেকে তোলা ছবিটি অনেক সুন্দর লাগছিলো।ছবিটার মধ্যে দেখা যাচ্ছে কিছু ফুল গাছের মধ্যে জ্যান্ত এক ফুল ফুটে আছে।চৌধুরী কন্যারা প্রত্যাকেই এক একটা ফুল।
মেহেক ছবিটা হোয়াটসঅ্যাপ স্টোরিতে দিয়ে ক্যাপশন দিলো

-“কোনো এক কুয়াশামাখা প্রভাতে
হাঁটবো কোনো এক প্রিয় সঙ্গীর সাথে
যেথায় হারিয়ে যাবো কুয়াশার মাঝে
দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে তার মাঝে”

মেহেকের পোস্ট করার সাথে সাথে উৎস সেটা সিন করে বললো,
-“সকাল ছয়টায় রেডি থাকিস।”

-“কেনো?”

-“তুই তো ঢোল পিটিয়ে বললি কুয়াশায়!”

-“সেটা কি আপনার সাথে নাকি!”

-“তো কার সাথে?”

-“আছে একজন কিন্তু তাকে ভাঙা হারিকেন দিয়ে খুঁজছি তবে পাচ্ছি না।”

-“ভাঙা হারিকেন দিয়ে না খোঁজে মন দিয়ে খোঁজ।”

-“আপনার মতো গম্ভীর লোকের সাথে যাবো না আমি।”

-“আমি গম্ভীর?”

-“হুমম আমার মতো লাফাবেন,বেশি কথা বলবেন আর দুষ্টুমি করবেন তাহলে স্মার্ট লাগবে আপনাকে।”

-“আমি আনস্মার্ট।”

-“হুম”

-“আমার একটা ছবি রাতে ঘুমানোর আগে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখিস তারপর ভাবিস আমি নাকি তোর ওই গায়ক কে বেশি স্মার্ট।”
উৎস অফলাইন হয়ে গেলো।একি বাড়িতে থেকে দুজন দুই রুম থেকে মেসেজে কথা বললো মাঝে রয়ে গেলো দেয়াল। মেহেক যদি উৎসের কথার মানে বুঝতো তাহলে তার গাধী আর গাধী থাকতো না চালাকের সর্দার রানি হতো।

#চলতি